ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬ , ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
চলতি বোরো মৌসুমে ইউরিয়া সার উৎপাদন ব্যাহতের শঙ্কা ‘হ্যাঁ’ সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে-আলী রীয়াজ আজকের লড়াই স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে-মির্জা ফখরুল ইসলামপন্থি দলগুলোর প্রার্থীর সংখ্যা বড় আকারে বেড়েছে -টিআইবি নির্বাচনে ১০ দলীয় জোট বিপুল ভোটে জয়ী হবে-নাহিদ ইসলাম জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব কর্মকর্তা নিহতের ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ৩ ফেসবুকে বিভিন্ন পরিচয়ে প্রতারণা, প্রতারকের ৭৬ লাখ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত অন্যের এনআইডি বহন কিংবা হস্তান্তর করা যাবে না-ইসি ৮ লাখ ভোট কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ শুরু, চলবে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ সেনাপ্রধানের ত্রয়োদশ নির্বাচনে পোস্টার নেই নির্বাচনী প্রচারে প্রার্থীদের করণীয় ও নিষেধাজ্ঞা ৪৮তম বিশেষ বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে ক্যাডার পদে নিয়োগ ত্রয়োদশ নির্বাচনে এনসিপির প্রার্থী তালিকায় তারুণ্য মেলবন্ধনে চমক ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ অনুমোদন উল্লাসে মুখর শিক্ষার্থীরা প্রচার-প্রচারণায় চাঙা নির্বাচনী মাঠ মানুষই হচ্ছে রাজনৈতিক সকল ক্ষমতার উৎস প্রবাসী নারীকে বিয়ের ফাঁদে ফেলে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ইমাম-মুয়াজ্জিনের বেতন নির্ধারণ করেছে সরকার ঢাকায় গত এক বছরে ৪০৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২১৯

‘হ্যাঁ’ বা ‘না’, উভয় পক্ষেই কথা বলার অধিকার সবার আছে-আসিফ নজরুল

  • আপলোড সময় : ১৬-০১-২০২৬ ০৬:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-০১-২০২৬ ০৬:৫৩:৫৬ অপরাহ্ন
‘হ্যাঁ’ বা ‘না’, উভয় পক্ষেই কথা বলার অধিকার সবার আছে-আসিফ নজরুল
আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-উভয় পক্ষেই প্রচারণা চালানোর অধিকার সবার রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার কাউকে এই প্রচারণা থেকে বিরত রাখবে না, কারণ এটি মানুষের সম্পূর্ণ নিজস্ব বিবেকবোধের বিষয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। আসিফ নজরুল বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে বলার অধিকার যেমন সবার আছে, তেমনি ‘না’ ভোটের পক্ষে বলার অধিকারও সবার আছে। কেউ যদি মনে করেন শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট আমলের ব্যবস্থা দেশে অব্যাহত থাকুক, বৈষম্য ও নিপীড়ন আগের মতোই চলুক-তবে তিনি ‘না’ বলতেই পারেন। কাউকে প্রচারণা থেকে বিরত রাখার কোনো অধিকার বা ইচ্ছা আমাদের নেই। বিগত সরকারগুলোর সময়ে গণভোটের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, আগে বাংলাদেশে যত গণভোট হয়েছে, সব সময় সরকার একটি পক্ষ নিয়েছে। কিন্তু এই গণভোটের মাধ্যমে কোনো নতুন সরকার গঠিত হবে না। আমরা শুরু থেকেই তিনটি প্রধান কাজের কথা বলেছি-সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রত্যাশা ছিল সংস্কার। আমরা সরকারে থাকবো না, কিন্তু একটি জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রের স্বার্থে সংস্কারের পক্ষে দাঁড়িয়েছি। আমরা কোনো বিশেষ দলের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছি না। আইন উপদেষ্টা বলেন, আইনের ব্যাখ্যার চেয়ে বড় উদ্দেশ্য হচ্ছে জনকল্যাণ। আমরা দেখেছি ১৫ বছর শাসনতান্ত্রিক সংস্কার না হওয়ায় দেশের কী অবস্থা হয়েছিল। আমরা যেসব সংস্কার সরাসরি করতে পারছি সেগুলো করছি। কিন্তু সংবিধান পরিবর্তনের মতো বড় সংস্কারের ক্ষেত্রে জনগণের সরাসরি মতামত প্রয়োজন, তাই আমরা বিষয়টি গণভোটে দিয়েছি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সংলাপে অংশ নেওয়া প্রায় সব রাজনৈতিক দলই সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছে। প্রক্রিয়াগত কিছু পার্থক্য থাকলেও মৌলিক সংস্কারের প্রশ্নে সবার মধ্যে ঐকমত্য রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। সরকারের এই প্রচারণা মূলত সংস্কারের প্রতি তাদের যে কমিটমেন্ট (অঙ্গীকার), সেটিরই অংশ।
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
চলতি বোরো মৌসুমে ইউরিয়া সার উৎপাদন ব্যাহতের শঙ্কা

চলতি বোরো মৌসুমে ইউরিয়া সার উৎপাদন ব্যাহতের শঙ্কা